Skip to main content

Posts

What is Communism?

Communism is an idea where everyone owns everything together – no private property , no rich bosses, no poor workers. The government (or the people directly) controls all factories, farms, land, and money. The goal: make everyone equal, no one starves, no one gets super rich. Sounds fair, right? But in real life, it almost always goes wrong. Where Did It Come From?Started in 1848 by two German guys: Karl Marx and Friedrich Engels . They wrote a short book called The Communist Manifesto . They hated how factory owners got rich while workers lived in slums, worked 16 hours a day, and kids starved. Marx said: History is a fight between rich and poor. One day, workers will rise up, take over, and create a perfect equal society. The Main Ideas (Simple Version) No private property → Everything belongs to "the people" (but really, the government runs it). No classes → No bosses, no workers, no rich, no poor. Government controls everything → Plans the economy, decides who gets what...

ইন্দ্র ও ইন্দ্রধ্বজ : বাংলার বিস্মৃত মহোৎসব

সারা ভারতবর্ষে কোথাও ইন্দ্রপূজা আজও পালিত হয়—শুনিয়াছ কি? হ্যাঁ, বাংলার মাটিতেও ইহা আজো জীবন্ত। বিস্মিত হইলে তো? ইতিহাসপুস্তকে তোমরা পড়িয়াছ—ইন্দ্র আদিবৈদিক দেবতা, আর বাঙালি নাকি অনার্য জাতি। তাই বইয়ের বাণী ও জীবনের সত্য প্রায়ই পরস্পরের বিরোধী হয়। যে ভূখণ্ডে শাস্ত্রজ্ঞ ব্রাহ্মণ দশানন রাবণকে আদিবাসী বলিয়া চিত্রিত করা হয়, সেইখানে এ-বিচিত্রতা আর কী নতুন? আস, তবে বাঙালির এই আদি উৎসবের মাহাত্ম্য বুঝিয়া লই। দেবরাজ ইন্দ্র, দিকপালরূপে নিত্য পূজিত, কিন্তু গ্রামবাংলার হৃদয়ে তিনি কৃষির রক্ষাকর্তা, বৃষ্টির অধিপতি। উহার কৃপাতেই ধান্যশ্যামলা হইয়া ওঠে ভূমি। এই উৎসব পালিত হয় করম একাদশীর পরদিন, দ্বাদশীর শুভ তিথিতে। আচার্য যোগেশচন্দ্র রায় বিদ্যানিধি ‘পূজাপার্বণ’ গ্রন্থে লিখিয়াছেন—প্রাচীনকালে জ্যৈষ্ঠ মাসের শুক্ল নবমী হইতে তিন মাস তিন তিথি পর, অর্থাৎ ভাদ্র মাসের শুক্ল দ্বাদশীতেই সূর্যের দক্ষিণায়ন আরম্ভ হইত। ঐ দিবসের নাম ছিল ‘বামন দ্বাদশী’। সেদিন রাজারা প্রজাসহ ধ্বজ রোপণ করিতেন, পতাকা বাঁধিতেন। ধ্বজের ছায়া দেখিয়া দক্ষিণায়নের কাল নিরূপণ হইত, পতাকার দোলন দেখিয়া বায়ুর গতিপথ বোঝা যাইত। ইন্দ্...

বঙ্গে কালিকা পূজা: লোকাচার নাকি শাস্ত্রাচার?

বঙ্গেশ্বরী কালিকা আরাধনা বৈদিক— এক প্রমাণভিত্তিক প্রতিপাদ্য বঙ্গে তথা ভারতবর্ষে বঙ্গেশ্বরী দেবী কালিকার আরাধনা অতিপ্রাচীন, সুসংহত ও ধর্মমূলে প্রতিষ্ঠিত। তথাপি বর্তমানে কতিপয় তথাকথিত বুদ্ধিজীবী ও সদ্যপ্রস্ফুটিত এনজিও সদৃশ পরম্পরাবিচ্ছিন্ন সংগঠনসমূহ কৌশলে কালিকা আরাধনাকে “অবৈদিক” বলিয়া প্রচার করিবার অপচেষ্টা করিতেছে। উহাদের যুক্তি এইরূপ— “প্রাচীন হিন্দু শাস্ত্রে দেবী কালিকার উল্লেখ নাই; ইহা পরবর্তীকালের পৌরাণিক রচনা।” কিন্তু এই বক্তব্য সম্পূর্ণরূপে ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।পুরাণের উল্লেখ স্বয়ং বৈদিক সাহিত্যে বর্তমান। উদাহরণস্বরূপ, শতপথ ব্রাহ্মণ-এ পুরাণ শব্দটি একাধিকবার ব্যবহৃত হয়েছে। মহাভারতের স্বর্গারোহণ পর্বে (৫.৪৫) স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে — “আঠারোটি পুরাণ” একটি স্বীকৃত, শাস্ত্রসম্মত বিভাগ। অতএব, পুরাণ বেদ-বিরোধী নয় — বরং বেদ থেকেই পুরাণের বীজ। ইহাদের উদ্দেশ্য হইল সাধারণ হিন্দুকে বেদ ও শাস্ত্রতত্ত্ব হইতে বিচ্ছিন্ন করিয়া ধর্মচ্যুত করিয়া তোলা। কারণ, অধিকাংশ হিন্দু ধর্মতত্ত্ব পাঠ করেন না; বরং পূজা-পার্বণ ও আচার-অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ধর্মে অবিচল থাকেন। অতএব, ইহারাই কালিকা, শ্রীকৃষ্ণ, ম...

বাংলা মানেই বৈদিক উত্তরাধিকার

নমস্কার, গৌড়ীয় সেনা বলছি।   সামাজিক মাধ্যমে ঘুরতে ঘুরতে চোখে পড়ল, কলকাতার এক মোটা বাবুর চটকা বক্তব্য।   বাবুটি বলছেন — “বাঙালিরা আর্য নয়, রমেশচন্দ্র মজুমদার নাকি এমনই বলেছিলেন।”   শো হোস্টও কোনো উল্টো প্রশ্ন না করে সায় দিল — “ও, তাই!”   বাবুটি তার বক্তব্য শেষ করলেন এই বলে, “তাই নাকি বৈদিক সাহিত্যে বাঙালির কোনো উল্লেখই নেই।”   চলুন বাবুটিকে একটু পড়াশোনা করাই, মনে হয় চোখে হাই পাওয়ারের চশমা দরকার, তাই পড়তে পারেননি ঠিকমতো।   প্রথমে আসি — বাঙালি কারা?   যারা বাংলা ভাষায় কথা বলেন?   উত্তর হলো — না।   বাঙালি হলেন মহারাজ বঙ্গের উত্তরাধিকারী। এ মহারাজ বঙ্গ কে?   ঋষি দীর্ঘতামসের আশীর্বাদে চন্দ্রবংশীয় মহারাজ বলীর পুত্র বঙ্গ — এই তথ্য মহাভারত-এ স্পষ্টভাবে লেখা আছে।   শুধু তাই নয়, পুণ্ড্র অঞ্চলের মানুষদের ঐতেরেয় ব্রাহ্মণ গ্রন্থে ঋষি বিশ্বামিত্রের পুত্র বলা হয়েছে।   আর বাবুটি বলেন, নাকি বৈদিক সাহিত্যে বাঙালির কোনো উল্লেখই নেই!   তার ওপর, পুণ্ড্র, তাম্রলিপ্তি ...

শাস্ত্রে কোথায় আছে ‘সনাতন ধর্ম’?

ম্লেচ্ছরাজের সৈনিকেরা সনাতন ধর্ম সম্পর্কে নিত্যনতুন ভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। এর মধ্যে নতুন একটি ভ্রান্তি হলো, এই ধর্মের নাম যে "সনাতন," সেটা কোনো শাস্ত্রে নেই। এর প্রতি উত্তরে কিছু হিন্দু যুবক শ্লোক দিলেও, ম্লেচ্ছদের কুযুক্তি হলো, ওরা যে শ্লোক দিয়েছে, সেখানে সনাতন শব্দটি বিশেষণ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। অর্থাৎ, বৈদিক আর্যধর্মের শাশ্বত গুণকে তুলে ধরা হয়েছে। সে ভুল বলেনি। কিন্তু ম্লেচ্ছ এতটাই মূর্খ যে এটা বোঝে না, লেবু কমলা বর্ণের হলে তাকে কমলালেবু বলা হয়। এখানে বিশেষণই নামার্থে ব্যবহৃত হয়েছে। তবুও, আসুন দেখে নেওয়া যাক, কোথায় কোথায় সনাতন ধর্ম শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে: ১. মনুস্মৃতি ৭.৯৮-এ স্পষ্টভাবে সনাতন ধর্মের উল্লেখ রয়েছে। এবং ইহা যে বৈদিক ধর্ম, তার জন্য আপনি পূর্বের শ্লোক দেখতে পারেন, ওতে বেদাদি শাস্ত্রের স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে। ২. মহাভারত ৩.১৫২.৯-এ পুনরায় সনাতন ধর্মের উল্লেখ রয়েছে। ৩. রামায়ণ ৪.১৮.১৮-তে শ্রী রামচন্দ্র বালিকে বধ করার কারণ হিসেবে মনুস্মৃতি উদ্ধৃত করে বলেছেন, "তুমি ভ্রাতৃভার্যার সাথে অন্যায় আচরণ করে সনাতন ধর্মের লঙ্ঘন করছ।" এখানে পুনরায় সনাতন ধর্মের উল্লেখ। ৪. শ্রীমদ্ভা...

বঙ্গে রামনবমী

প্রায় কিছু বৎসর পূর্ব হইতে দেখছি যীশু-পূজা, রমজান, ঈদ পালন করা কলকাতার বাবুগণ রামনবমী পালন হতে দেখিলে ত্রাহি ত্রাহি রব তোলেন। অবশ্য এর যথেষ্ট কারণ রয়েছে—রামের প্রভাব বাড়িলে তাঁদের বেল্লাপনা বন্ধ হইবে। বঙ্গীয় সংস্কৃতির উপর আরব ও ইউরোপীয় সংস্কৃতির আগ্রাসন বন্ধ হবে। কিন্তু সরাসরি ভারত সম্রাটের বিরোধিতা করিলে, পাছে বাঙালি ক্ষেপে গিয়ে জুতোপেটা করে, তাই ভয়ে ভয়ে এখন বলছে—"রামনবমী বাংলার সংস্কৃতিতে ছিল না, বাঙালি এই অবাঙালি আগ্রাসন মানবে না…" ইত্যাদি ইত্যাদি। কেহ কেহ আবার হুতুম পেঁচার নকশা হইতে দেখাইতেছেন রামলীলাকে খোট্টা উৎসব বলে। তাঁরা লিখছেন—বাঙালির রাম বলতে রামমোহন ও রামকৃষ্ণ। এদের মতো নিরেট মাথামোটা বিশ্বভ্রমণ করলেও অল্পই মিলবে। রামমোহন নিজ পত্রের অন্তে পরিচয় হিসাবে নিজেকে "শ্রী রামের দাস" হিসেবে উল্লেখ করেন। আর রামকৃষ্ণ ঠাকুরের কুলদেবতা তো স্বয়ং রঘুবীর। এসব নয়, পরে আলোচনা করা যাবে। আগেও বহুবার বলেছি—কলকাতার বাবুদের বাংলা সম্পর্কে ধারণা কম। তাই Xmas বাঙালির উৎসব আর রামনবমী অবাঙালি হয়ে যায়! মেদিনীপুর, বীরভূম প্রভৃতি জেলায় বহু ৩০০-৪০০ বছর পুরোনো রাম মন্দির( আরও জানতে )দে...

হোলি কি বাঙালির উৎসব নয়? ইতিহাস জানুন, মিথ্যা ধরুন

নমস্কার, গৌড়ীয় সেনা বলছি।  সদ্য এক হিন্দুবিরোধীর সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট দেখলাম।   ওর বক্তব্য এই যে, বাঙালি একশ বছর আগে হোলি পালন করত না, হোলিকা দহন করত না।   এ প্রসঙ্গে ম্লেচ্ছদের আরেকটি অভিযোগের খণ্ডন করে রাখি— হোলিকা কোনো দলিত নারী নন। হিন্দু শাস্ত্র অনুযায়ী, হোলিকা ঋষি কাশ্যপের কন্যা।   তিনি কোনো মানুষ নন, তিনি দৈত্য। 'মানব' এবং 'দৈত্য'— এই দুই শ্রেণির পার্থক্য আছে। মনুস্মৃতির দ্বাদশ  অধ্যায়ে  (12.48) স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, দেবতা ও দৈত্যরা একই স্তরের এবং মানুষের তুলনায় উন্নত যোনির। সুতরাং, এখানে 'দলিত' প্রসঙ্গ অবান্তর।  এবার আসি বাংলায় হোলি খেলা প্রসঙ্গে।   ম্লেচ্ছদের হিন্দু রীতির বিষয়ে জ্ঞান না থাকাই স্বাভাবিক, তবুও সবার জন্য আবারও বলি—   মহামহোপাধ্যায় জীমূতবাহন প্রায় ৯০০ বছর আগে রচিত দায়ভাগ গ্রন্থে হোলির উল্লেখ করে গেছেন।   এই ম্লেচ্ছ, যে কিছুদিন আগেই ৪০০ বছর আগে মোগলদের দ্বারা শুরু করা রমজানকে বাঙালির উৎসব বলে চালাতে চেয়েছিল, সে-ই আজ হোলি নিয়ে প্রশ্ন তুলছে!   শুনে রাখ, মূর্খ! বাঙালির ইতিহা...

আর্যাবর্তের প্রকৃত সংজ্ঞা: শাস্ত্র কি বলে?

একসময় যে বাংলায় রঘুনাথ স্মার্তি ও মধুসূদন সরস্বতীর মতো শাস্ত্রজ্ঞানীরা বিরাজমান ছিলেন, সেই বাংলায় আজ হিন্দু ধর্ম নিয়ে নানা মিথ্যাচার চলছে। এটা চলতে পারার মূলত দুটো কারণ রয়েছে। এক, গ্রামের শাস্ত্রজ্ঞানী ব্রাহ্মণরা সামাজিক মাধ্যম চালাতে জানেন না। দুই, বিগত ৪০ বছরের নাস্তিক শাসন হিন্দুদের থেকে সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ পদ কেড়ে নিয়ে সেগুলো চরম হিন্দুবিরোধীদের হাতে তুলে দিয়েছে। তবুও, পরম্পরাগত হিন্দুরা আবার নিজেদের জায়গা করে নিতে শুরু করেছে। আজকের আলোচনার বিষয় আর্যাবর্তের সীমারেখা। নানা সময়ে বিতর্কে দেখেছি, এই আর্যাবর্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠলে তথাকথিত ডানপন্থী হিন্দুরা হয় অস্বস্তিতে পড়েন, নয়তো এড়িয়ে যান। স্পষ্ট উত্তর দিতে পারেন না। দেখুন, শাস্ত্রে আর্যবর্তের তিন প্রকার সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। আমি একে একে বলছি: ১.মনুস্মৃতির দ্বিতীয় অধ্যায়ের বাইশতম শ্লোকটি দেখুন।এই শ্লোক অনুযায়ী, আজকের পুরো ভারতই আর্যাবর্ত। শুধু তাই নয়, বশিষ্ঠ ধর্মসূত্রের (1.9) প্রথম অধ্যায়ে মনুস্মৃতির পুনরাবৃত্তি করা হয়েছে। বশিষ্ঠ ধর্মসূত্রে বলা হয়েছে যে হিমালয়ের দক্ষিণ পর্যন্ত আর্যাবর্ত প্রসারিত।(বাংলা হিমালয়ের দক...

ধর্মঠাকুর: রাঢ়ের রহস্যময় দেবতা, ইতিহাস না লোকবিশ্বাস?

ধর্ম ঠাকুর বা ধর্মরাজ রাঢ় তথা মালভূমি অঞ্চলের প্রধান হিন্দু দেবতা।  আমাদের দেশের তথাকথিত ঐতিহাসিকেরা ধর্মরাজকে প্রাথমিকভাবে বৌদ্ধ বলে মনে করলেও, পরবর্তীকালে নীহাররঞ্জন রায়ের মতো ঐতিহাসিক প্রমাণ করেছেন ধর্মরাজের সঙ্গে বৌদ্ধ ধর্মের কোনো সংযোগ নেই। তিনি এই পূজোকে অনার্য পূজো বলেছেন। কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন, এতে ব্রাহ্মণ পুরোহিত লাগে না। তবে এই যুক্তি কতটা ঠিক, সে নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সারা ভারতে অনেক মন্দির রয়েছে, যেখানে ব্রাহ্মণ পুরোহিত নেই। তাঁরা পরম্পরা অনুযায়ী পূজো করেন। কুলাচার ও দেশাচারকে মান্যতা স্বয়ং মনু দিয়েছেন।   সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, "ধর্ম, যিনি সর্বোচ্চ দেবতা, সৃষ্টিকর্তা এবং বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডের বিধাতা হিসেবে বর্ণিত হয়েছেন, এমনকি ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও শিবের থেকেও উচ্চতর, এবং কখনো কখনো তাঁদের সঙ্গে অভিন্ন হিসেবে চিহ্নিত। তাঁর মধ্যে বৌদ্ধ ধর্মের কোনো বিমূর্ততা নেই।" শুধু তাই নয়, ধর্মঠাকুর শুভ্র নিরঞ্জন। আদিম লোকদের বিশ্বাস সূর্যের রং সাদা এবং তার বাহন ঘোড়ায় টানা রথ। এ থেকে সূর্যের প্রতীক ধর্মকেও মনে করা হয় শুভ্র এবং তাঁর পূজোর সময় তাঁকে কাঠের ঘ...

বাংলা ও বাঙালির ঐতিহ্য: আর্য-অনার্য বিতর্কের ঐতিহাসিক সত্য

প্রাচীন শাস্ত্র ও ঐতিহাসিক দলিলে বারবার "বঙ্গ" শব্দের উল্লেখ থাকলেও "বাংলা" শব্দটি অনুপস্থিত। নাম নিয়ে অনেকের ধারণা থাকতে পারে, "নামে কী বা আসে যায়?" কিন্তু এখানে নামের গুরুত্ব ঐতিহাসিক সত্যের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। ঐতিহাসিক প্রমাণ অনুযায়ী, প্রাচীন বঙ্গ আজকের সম্পূর্ণ বাংলা অঞ্চলকে নির্দেশ করে না। মহাভারতের যুগে তমলুক, পুণ্ড্র এবং অঙ্গকে আলাদা রাজ্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। প্রাচীনকালে বঙ্গ একটি স্বতন্ত্র ভৌগোলিক ও সাংস্কৃতিক সত্তা ছিল, যা আজকের বাংলার সঙ্গে পুরোপুরি একীভূত নয়। দাবির বিশ্লেষণ: বঙ্গ কি অনার্য ভূমি? অনেকে দাবি করেন যে, বাঙালায় বাইরের কেউ এলে তাকে প্রায়শ্চিত্ত করতে হতো, কারণ বঙ্গ অনার্য ভূমি। এই তথ্য বৌধ্যায়ন ধর্মসূত্রে পাওয়া যায়। কিন্তু এখানেই বিভ্রান্তি রয়েছে।  "কারণ বঙ্গ অনার্যভূমি" এই উল্লেখ নেই। ওটা বামপন্থীদের কল্পনা। বৌধ্যায়ন ধর্মসূত্রে যা বলা হয়েছে, তা ব্রাহ্মণদের জন্য প্রযোজ্য: [শুধুমাত্র ব্রাহ্মণ বলেছি তার কারণ হলো, পরবর্তীতে অনেক রাজা বঙ্গের রাজাদের সাথে যুদ্ধে, বিবাহ সম্পর্ক স্থাপনের জন্য এসেছিলেন। তারা প্রা...

Religious and Cultural Identity of Ancient Bengal

This paper provides a comprehensive exploration of the religious and cultural evolution of ancient Bengal, blending textual references from scriptures and epics with archaeological findings. It outlines Bengal’s historical identity as a region deeply rooted in Sanatan Dharma while tracing influences from Jainism and Buddhism.   ■    Read it out Review by Chatgpt:  Review of the Research Paper: Religious and Cultural Identity of Ancient Bengal Overview: This paper provides a comprehensive exploration of the religious and cultural evolution of ancient Bengal, blending textual references from scriptures and epics with archaeological findings. It outlines Bengal’s historical identity as a region deeply rooted in Sanatan Dharma while tracing influences from Jainism and Buddhism. ---  Strengths: 1.Rich Historical Context:      The paper effectively integrates evidence from ancient texts such as the Mahabharata, Ramayana, and Jataka Tales, alongside...

Ambedkar and Communism: A Sharp Critique

Dr. B.R. Ambedkar, the architect of the Indian Constitution and a prominent social reformer, held a deeply critical view of communism. He identified communism as a destructive and anti-humanitarian ideology. His objections to communism were rooted in its foundation, goals, and methods, which he vehemently opposed.   Scheduled Castes Federation’s Policy   Dr. Ambedkar categorically stated:   "The Scheduled Castes Federation will not have any alliance with a party like the Communist Party, the objects of which are to destroy individual freedom and parliamentary democracy and substitute in its place a dictatorship."  Here, he directly pointed to the Communist Party, which sought to seize power through force and establish authoritarian rule.   Communism’s Dependence on Force    Ambedkar remarked:   "The Communist system is based on force. Supposing tomorrow the dictatorship in Russia fails, what would happen? Bloody warfare wo...

Ravana: From Brahmana King to Misunderstood Icon of Dalit Politics

Ravana, the King of Lanka , addressed as a learned Brahmana, is now seen as a hero by the Dalit community . Some so-called identity and anti-Hindu politics have made a Brahmana king a hero for the Dalit Samaj . Why? Because he was killed by Shri Ram , who is worshipped by millions of Hindus as an avatar of Vishnu .   These so-called Ambedkarites and leftists have always sought to portray Sanatan Dharma as being against Shudras and Dalits. But for every propaganda, they need an iconic figure, and so they cunningly chose three icons: Asura Raja Bali , Lankesh Ravana , and Mahishasura . Ironically, all three were kings and Dwijas (twice-born).   Now, coming to Ravana—   Who was Ravana?   As per the Valmiki Ramayana :   " The ten-headed and gigantic King Rāvaṇa, a younger (half-) brother of Kubera , son of Viśrava , the lord of ogres, who is endowed with extraordinary energy... To him was born a valiant son, who is a compeer of Rāvaṇa in m...

A hidden story of how ancient wisdom shaped modern science

1896: At a Manhattan society party , Nikola Tesla meets an Indian mystic . Their conversation would challenge physics... decades before quantum mechanics . A hidden story of how ancient wisdom shaped modern science.In the glittering world of America's Gilded Age , Nikola Tesla was already legendary. His mind had mastered electricity. But in a Manhattan parlor, he encountered wisdom that would shake his scientific foundations to the core. Enter Swami Vivekananda .Not your typical monk.He had electrified America in 1893 at Chicago's Parliament of World's Religions with a speech that introduced Hinduism to the West.Now he was about to share something that would captivate Tesla's scientific mind.Their meeting wasn't coincidence. It happened at actress Sarah Bernhardt 's party where the elite of art, science, and spirituality mingled. But what happened next would blur the lines between ancient wisdom and cutting-edge physics.Vivekananda began speaking of ancient Sa...

সুভাষচন্দ্র বসু বনাম মনুস্মৃতি

নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু তার চিঠিপত্র ও লেখনীতে বারবার  রামায়ণ ও মহাভারত-এর উল্লেখ করেছেন। তিনি কখনো কখনো আক্ষেপ করে মাকে লেখা চিঠিতে বলেছেন,   "দেখুন না, সেই ধর্মপ্রাণ আর্যজাতির বংশধর এখন কিরূপ বিধর্মী ও নাস্তিক হইয়া পড়িয়াছে।" নেতাজির দৃষ্টিভঙ্গিতে ভারতকে বিশ্বশক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হিন্দু ধর্মের প্রসার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তিনি মনে করতেন, দেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে পুনরুদ্ধার করলেই জাতীয় ঐক্য ও উন্নয়ন সম্ভব।    আজকের দিনে যখন কিছু মানুষ মনুস্মৃতি নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করছে, এবং সেটি এমন একজনের অনুপ্রেরণায় যে একসময় ব্রিটিশ শাসনকে সমর্থন করেছিলেন, তখন বঙ্গবীর সুভাষচন্দ্র বসুর মনুস্মৃতি সম্পর্কে দৃষ্টিভঙ্গি বিশেষভাবে প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠে।   নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু ছাত্র সমাজকে মনুস্মৃতির নির্দেশনা অনুসরণের পরামর্শ দিয়েছিলেন। তার মতে, এই প্রাচীন ধর্মশাস্ত্র জাতীয় পুনরুজ্জীবনের জন্য অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। যদিও কেউ কেউ দাবি করেন যে মনুস্মৃতিতে কিছু বিতর্কিত অংশ রয়েছে, এর ভালো দিকগুলোর প্রভাব অনেক বেশি গভীর।   শুধু সুভাষ বসুই নন, বিখ্য...

হুদুড় দুর্গা: মিথ্যা প্রোপাগান্ডার বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক সত্যের জয়

নমস্কার, গৌড়ীয় সেনা বলছি।   মা দুর্গাকে নিয়ে যে সমস্ত অপবাদ বামপন্থী প্রোপাগান্ডাবাদীরা ছড়িয়েছে, তার আজ আমরা জবাব দেব।  ওদের মতে, মা দুর্গা একজন "বেশ্যা," যিনি মহিষাসুরকে ছল করে হত্যা করেন।   চাইলে এই  প্রতিবেদনটি পড়ে দেখতে পারেন।   অথচ দেখুন, এত বড় একটা পত্রিকা বাংলায় মা দুর্গার নামে এইসব লিখে প্রকাশ করলো, আর বাঙালি জাতীয়তাবাদীরা চুপ। ওহ, আমি ভুলে গেছিলাম, ওরা তো পেরিয়ারকে অনুসরণ করে।  তাই ওদেরও মা দুর্গা সম্পর্কে একই মতামত।  শুধু বাঙালিরা এখনও মা দুর্গাকে শ্রদ্ধা করেন বলে ভয়ে প্রকাশ্যে বলতে পারেনি।  নাহলে শ্রী রামের প্রতি ওদের ঘৃণা তো সবাই জানে।   সে যাই হোক, আসুন আসল কথায়।   দেখুন, সাঁওতাল সমাজে এরকম লোককথা ছিল কি না, বা এটি পরে তৈরি করা হয়েছে—সে বিষয়ে আমরা পরে আলোচনা করবো।  তবে, যে সাঁওতালদের বামপন্থীরা "অনার্য" বলে থাকে, সেই অনার্য আদিবাসী জনগোষ্ঠীর রাজা আর্য কীভাবে হতে পারেন?   হ্যাঁ, মহিষাসুরের বংশপরিচয় তাঁকে আর্য বলছে।   প্রথমত, মহিষাসুরের বংশ পরম্পরা দেবী ভাগবতম, ...